রাশিয়ার সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন জ্বালানি চুক্তি ঘোষণার রেশ কাটতে না কাটতেই ইউক্রেনে ফের বিমান হানা চালাল মস্কো। ইউক্রেনের জাপোরিজ্ঝিয়া অঞ্চলে রুশ বিমান হামলায় তিন শিশুসহ অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৪ জন। এই হামলার পরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কি।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ ডিজ়েল আমদানির করতে চলেছে আমেরিকা। ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযানের পর থেকে মস্কোর ওপর কঠোর বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছিল আমেরিকা। এই চুক্তিতে সেই বিধিনিষেধ শিথিল হয়েছে। মার্কিন মুলুকে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতেই ট্রাম্প প্রশাসন এই পদক্ষেপ করেছে বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের। চুক্তি অনুযায়ী, রাশিয়া অবিলম্বে তিন লক্ষ টনের বেশি ডিজ়েল সরবরাহ করবে। পরবর্তী সময়ে নভেম্বরের মধ্যে আরও পাঁচ লক্ষ টন এবং খুব শীঘ্রই এক থেকে তিন মিলিয়ন টন ডিজেল পাঠাবে মস্কো।
রাশিয়াক সঙ্গে আমেরিকার এই চুক্তির তীব্র নিন্দা করেছেন ভলোদিমির জ়েলেনস্কি। এক্স হ্যান্ডলে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, “ডিজ়েল রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য রাশিয়া আজ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে জাপোরিজ্ঝিয়ার আবাসিক এলাকায় পাঁচটি গ্লাইড বোমা ফেলে।” তাঁর অভিযোগ, মস্কো এই ধরনের সিদ্ধান্তকে দুর্বলতা হিসেবে গণ্য করে। এর ফলে ইউক্রেনে আরও ধ্বংসলীলা চালানোর সাহস পাবে রাশিয়া। জেলেনস্কির স্পষ্ট বার্তা, এই চুক্তি ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে শক্তিশালী করে তুলবে এবং সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করবে।
জেলেনস্কি এই চুক্তিকে আমেরিকার একটি ‘দুর্বল সিদ্ধান্ত’ বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর অভিযোগ, যখন মিয়ামিতে ইউক্রেনীয় প্রতিনিধিদলের সঙ্গে শান্তি আলোচনা চলছে, তখন এই জ্বালানি চুক্তি ঘোষণা করা একেবারেই সমীচীন নয়।
উল্লেখ্য, গত সাড়ে চার বছরেরও বেশি সময় ধরে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে এই সংঘাত চলছে। এই যুদ্ধে দুই দেশেরই আক্রমণ ও প্রতিআক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। সাম্প্রতিক রুশ বোমাবর্ষণে গত চার দিনেই ষাটের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ ডিজ়েল আমদানির করতে চলেছে আমেরিকা। ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযানের পর থেকে মস্কোর ওপর কঠোর বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছিল আমেরিকা। এই চুক্তিতে সেই বিধিনিষেধ শিথিল হয়েছে। মার্কিন মুলুকে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতেই ট্রাম্প প্রশাসন এই পদক্ষেপ করেছে বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের। চুক্তি অনুযায়ী, রাশিয়া অবিলম্বে তিন লক্ষ টনের বেশি ডিজ়েল সরবরাহ করবে। পরবর্তী সময়ে নভেম্বরের মধ্যে আরও পাঁচ লক্ষ টন এবং খুব শীঘ্রই এক থেকে তিন মিলিয়ন টন ডিজেল পাঠাবে মস্কো।
রাশিয়াক সঙ্গে আমেরিকার এই চুক্তির তীব্র নিন্দা করেছেন ভলোদিমির জ়েলেনস্কি। এক্স হ্যান্ডলে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, “ডিজ়েল রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য রাশিয়া আজ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে জাপোরিজ্ঝিয়ার আবাসিক এলাকায় পাঁচটি গ্লাইড বোমা ফেলে।” তাঁর অভিযোগ, মস্কো এই ধরনের সিদ্ধান্তকে দুর্বলতা হিসেবে গণ্য করে। এর ফলে ইউক্রেনে আরও ধ্বংসলীলা চালানোর সাহস পাবে রাশিয়া। জেলেনস্কির স্পষ্ট বার্তা, এই চুক্তি ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে শক্তিশালী করে তুলবে এবং সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করবে।
জেলেনস্কি এই চুক্তিকে আমেরিকার একটি ‘দুর্বল সিদ্ধান্ত’ বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর অভিযোগ, যখন মিয়ামিতে ইউক্রেনীয় প্রতিনিধিদলের সঙ্গে শান্তি আলোচনা চলছে, তখন এই জ্বালানি চুক্তি ঘোষণা করা একেবারেই সমীচীন নয়।
উল্লেখ্য, গত সাড়ে চার বছরেরও বেশি সময় ধরে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে এই সংঘাত চলছে। এই যুদ্ধে দুই দেশেরই আক্রমণ ও প্রতিআক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। সাম্প্রতিক রুশ বোমাবর্ষণে গত চার দিনেই ষাটের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক